ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধ ও নিরাময় করতে ঘরোয়া উপায়

আমাদের শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল হল ঠোঁটের ত্বক । শীতের রুক্ষতা বেশ ভালোভাবেই ঠোঁট জোড়াকে প্রভাবিত করে। ঠান্ডা আবহাওয়া ছাড়াও কিছু নির্দিষ্ট কারণে আমাদের ঠোঁট ফাটতে পারে। যেমন অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক, পুষ্টির ঘাটতি, পানিশূন্যতা ইত্যাদি। খাদ্যতালিকায় নির্দিষ্ট কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে প্রাকৃতিকভাবে ঠোঁট থাকবে কোমল ও সুন্দর।
১। পানিজাতীয় ফল ও সবজিঃ পানিশূন্যতা ঠোঁট ফেটে যাওয়ার অন্যতম কারণ । তাই বেশি করে পানিজাতীয় ফল ও সবজি খেতে হবে। শসা, কমলা বা স্ট্রবেরির মতো ফলে পানির পরিমাণ বেশি থাকে। খাদ্যতালিকায় এসব ফল রাখলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে যা ঠোঁটকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এসব খাবারের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের পুনর্জন্মে সহায়তা করে এবং ফাটা ঠোঁট সারিয়ে তোলে।
 
২। নারকেল তেলঃ নারকেল তেল ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্যের জন্য বেশ সমাদ্রিত । শুষ্ক ঠোঁটে লাগানোর পাশাপাশি ডায়েটে নারকেল তেল অন্তর্ভুক্ত করলে অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। নারকেল তেল ত্বকের শুষ্কতা এবং ফাটা ঠোঁট প্রাকৃতিকভাবে সারিয়ে তুলতে অতুলনীয়। 

 ৩। মধুঃ মধুর প্রাকৃতিকভাবে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। ঠোঁটে নিয়মতি মধু লাগান এবং পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণে মধু খেলে ঠোঁট ও ত্বক ভালো থাকে। 

 ৪। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবারঃ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার ঠোঁটসহ ত্বককে পুষ্টি এবং ময়শ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। এ ধরনের খাবার হার্টকেও ভালো রাখে ।

 ৫। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবারঃ ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভিটামিন-ই। এই ভিটামিন বাদাম, সূর্যমুখী বীজ, পালং শাক এবং ব্রকলির মতো খাবারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ।

Comments